এক কথায় উত্তর হলো: না, একদম হুবহু এক নয়। তবে তারা সবাই যেহেতু ইংরেজি ভাষার মূল ভিত্তি (Core English Block), তাই তাদের ভাষার মধ্যে ৯০% মিল আছে। বাকি ১০% পার্থক্য তৈরি হয় মূলত ৩টি জায়গায়: উচ্চারণ (Accent), বানান (Spelling), এবং আঞ্চলিক শব্দ (Slang/Vocabulary)।
সহজে বোঝার জন্য পার্থক্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. উচ্চারণ (Accent & Pronunciation)
USA (আমেরিকান): তারা একটু টেনে এবং স্পষ্ট করে কথা বলে। যেমন 'R' উচ্চারণ খুব কড়াভাবে করে (যেমন: Car-কে স্পষ্ট 'কার' বলে)।
Australia (অজি): তাদের উচ্চারণ বেশ আলাদা এবং দ্রুত। তারা শব্দের শেষের অংশ কেটে ফেলে। যেমন: 'Good day' হয়ে যায় 'G'day' (জি-ডে), আর 'Afternoon' হয়ে যায় 'Arvo'।
Canada (কানাডিয়ান): এদের উচ্চারণ অনেকটাই আমেরিকানদের মতো, তবে কিছু শব্দের ক্ষেত্রে ব্রিটিশদের টান থাকে। যেমন 'About' শব্দটিকে তারা কিছুটা 'A-boot' (আ-বুট) এর মতো উচ্চারণ করে।
২. বানানরীতি (Spelling)
এখানে মূল খেলাটা হয় ব্রিটিশ এবং আমেরিকান স্টাইলের মধ্যে:
USA: এরা সম্পূর্ণ আমেরিকান বানানরীতি মেনে চলে। (যেমন: Color, Center, Theater)
Canada & Australia: এরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্রিটিশ বানানরীতি ধরে রেখেছে। (যেমন: Colour, Centre, Theatre)
৩. দৈনন্দিন শব্দ বা লোকাল ভাষা (Vocabulary & Slang)
একই জিনিসকে এই তিন দেশে তিন নামে ডাকা হয়। নিচের টেবিলটি দেখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে:
| জিনিস | USA (আমেরিকা) | Canada (কানাডা) | Australia (অস্ট্রেলিয়া) |
| পানির কল | Faucet | Tap | Tap |
| শীতকালীন টুপি | Beanie | Toque (টুক) | Beanie |
| রাস্তার ধারের ফুটপাত | Sidewalk | Sidewalk | Footpath |
| নরম পানীয় (কোক/পেপসি) | Soda / Pop | Pop | Soft drink |
| সবজি | Vegetables | Veggies | Vegos / Veggies |
| ধন্যবাদ বা বিদায় | Thank you / Bye | Thanks | Ta / Cheers / G'day |
সারসংক্ষেপ:
আমেরিকা এবং কানাডার ইংরেজি একে অপরের খুব কাছাকাছি (প্রায় ৯৫% মিল), শুধু বানানে কিছুটা তফাত। আর অস্ট্রেলিয়ার ইংরেজি একটু বেশি ব্রিটিশ ঘরানার, তবে তাদের নিজস্ব এত বেশি আঞ্চলিক শব্দ (Slang) আছে যে, অনেক সময় আমেরিকানদেরও অস্ট্রেলিয়ার ইংরেজি বুঝতে কষ্ট হয়!
তবে মজার ব্যাপার হলো, একজন বাংলাদেশি হিসেবে আপনি এদের যেকোনো একটির ইংরেজি ভালো জানলে বাকি দুই দেশের মানুষের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ করতে পারবেন।
No comments:
Post a Comment